
এআই দিয়ে ভাইরাস তৈরি; চিকিৎসায় বিপ্লব নাকি নতুন হুমকি?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ভাইরাস তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী। গবেষণাগারে সফলভাবে বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম এ ভাইরাসগুলো ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করার জন্য বানানো হলেও মানুষের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না। বিজ্ঞানে এটিকে একটি ‘বড় ধরনের মোড় ঘোরানো ঘটনা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা রোগ নিরাময়ে নতুন যুগের দ্বার খুলে দিতে পারে। সম্প্রতি বিবিসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপস্থিতি সাংবাদিকতাকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপস্থিতি সাংবাদিকতাকে বড় চ্যালেঞ্জে ফেলেছে। আজ (শুক্রবার, ৭ আগস্ট) এডিটর কাউন্সিল আয়োজিত টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজ থেকেই সাইবার হামলা চালাচ্ছে এআই, দায় এড়াতে পারবে কি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিজে থেকে সাইবার হামলা চালালে সেই অপরাধের দায় কে নেবে—এমন এক অভূতপূর্ব প্রশ্ন সামনে এসেছে। সম্প্রতি ওপেনএআই-এর দুটি ‘বেয়াড়া’ মডেল স্বাধীনভাবে সাইবার হামলা চালানোর পর এই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে বৈঠকে ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিক ও গুগল
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মডেল যাচাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী ৪ আগস্ট হোয়াইট হাউসে বৈঠকে বসছে শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি এআই কোম্পানি। এতে অংশ নেবে ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিক পিবিসি এবং অ্যালফাবেট ইনকরপোরেটেডের গুগল। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে এআই মডেলগুলোর নিরাপত্তা পরীক্ষা পরিচালনার নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে এই বৈঠকে। ব্লুম্বার্গের বরাত দিয়ে স্ট্রেইটটাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এক মাসে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার মূলধন হারিয়েছে বিশ্বের সেমিকন্ডাক্টর খাত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগ ও বাজারের অতিমূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগের জেরে গত জুলাই মাসে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারবাজার বড় ধরনের উত্থান পতনের সম্মুখীন হয়েছে। এ সময়ে বাজার থেকে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের মূলধন উধাও হয়ে গেলেও পরে ক্লাউড কম্পিউটিং কোম্পানিগুলোর ভালো মুনাফার খবরে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দাঁড়ায়। আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চীনা ডেটা সেন্টার যন্ত্রাংশ আমদানি নিষিদ্ধের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের
চীনা কোম্পানিগুলোর তৈরি নতুন মডেলের ডেটা সেন্টার যন্ত্রাংশ আমদানি নিষিদ্ধ করতে খসড়া তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখতে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ বিষয়ে অবগত চারটি সূত্র। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা ওয়াইকোর পর্যবেক্ষক হলো বাংলাদেশ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক নতুন গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন’ (ওয়াইকো)-এ প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

চীনের সামরিক গবেষণায় ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিযোগ
চীনের সামরিক গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেলগুলো থেকে পাওয়া আউটপুট বা ফলাফল ব্যবহার করে নিজেদের সামরিক এআই ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছেন। চীনের ৮০টিরও বেশি একাডেমিক গবেষণাপত্র ও পেটেন্ট পর্যালোচনা করে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

এআই কি সত্যিই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে? অল্টম্যানের মন্তব্যে উদ্বেগ
২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া মার্কিন চলচ্চিত্র ‘ট্রান্সেন্ডেন্স’-এ দেখা গিয়েছিল, মৃত্যুপথযাত্রী এক বিজ্ঞানী তার মস্তিষ্ককে একটি সুপারকম্পিউটারে আপলোড করে প্রায় সর্বশক্তিমান বুদ্ধিমত্তায় পরিণত হন। এর পরের বছর ‘এক্স মেশিনা’ ছবিতে দেখানো হয়, একটি রোবট তার মানব হ্যান্ডলারদের বোকা বানিয়ে বাইরের দুনিয়ায় পালিয়ে যায়। কল্পবিজ্ঞানের এই ছবিগুলো মূলত ‘সিঙ্গুলারিটি’ ধারণার ওপর তৈরি, যেখানে প্রযুক্তি বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যায় এবং একসময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘২০৩৬ সালে টাকার কোনো মূল্য থাকবে না’— ইলোন মাস্ক
আগামী ১০ বছরের মধ্যেই মানুষের জীবনে টাকা তার প্রাসঙ্গিকতা হারাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলোন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, ২০৩৬ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটের কল্যাণে দুনিয়ায় এমন এক ‘অবিশ্বাস্য প্রাচুর্যের’ যুগ শুরু হবে, যেখানে টাকার কোনো মূল্যই থাকবে না। সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এআই সঠিকভাবে বোঝা-দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এরইমধ্যে দেশের তথ্য, যোগাযোগ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এটিকে সঠিকভাবে বোঝা এবং দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে কার্যকর ও দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা যায়—এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

এআইয়ের যুগে চাকরির ভবিষ্যৎ: কারা টিকবেন, কারা হারাবেন
মানুষের কাজ করে দেবে যন্ত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে এমন বড় বড় দাবি করছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। কিছু কাজ পুরোপুরি যন্ত্রের হাতে চলে যাবে, আর কিছু ক্ষেত্রে মানুষের কাজকে আরও সহজ করে দেবে এআই। বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারেরাও এখন এই প্রযুক্তির পেছনে ঢালছেন বিপুল অর্থ। এর নেপথ্যে একটি বড় হিসাব হলো জনবল কমিয়ে খরচ বাঁচানো।