শুক্রবার দিনের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারের উপরে থাকলেও, এ ঘোষণার পর তা কমে ৮৮ ডলারে নেমে এসেছে।
হরমুজ প্রণালি হলো পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্তকারী একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো।’
আরও পড়ুন:
ইরানের এ ঘোষণায় বিশ্ব শেয়ারবাজারেও স্বস্তি ফিরেছে। মার্কিন শেয়ার সূচকগুলোতে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। লেনদেনের শুরুতে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৮ শতাংশ এবং নাসডাক ও ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ১ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে ইউরোপের বাজারেও। প্যারিসের সিএসি এবং ফ্রাঙ্কফুর্টের ড্যাক্স সূচক ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, আর লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক বেড়েছে প্রায় ০.৫ শতাংশ।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর পর থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ ছিল। এর ফলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর চলাচল থমকে যায়, যা বৈশ্বিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমিয়ে দেয় এবং দামকে আকাশচুম্বী করে তোলে।
সংঘাতের আগে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে ছিল। কিন্তু সংঘাত শুরু হওয়ার পর তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ১১৯ ডলারে পৌঁছায়।




