পেজেশকিয়ান এই মনোভাব প্রকাশ করেছেন এমন সময়, যখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পেজেশকিয়ান তার এক্স অ্যাকাউন্টে লেখেন, আমরা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবু আমাদের দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো দ্বিধা নেই। মধ্যস্থতা এমনদের সঙ্গে হওয়া উচিত, যারা ইরানি জনগণকে হালকাভাবে নিয়েছে এবং এই সংঘাতের আগুন জ্বালিয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা সেই সময় তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যখন সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন এবং তেহরান থেকে প্রতিহামলা শুরু হয়। এসব প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশ কূটনৈতিকভাবে সংঘাত বিরতি বা আলোচনার চেষ্টা করছে। তবে পেজেশকিয়ান মনে করেন, আসল আলোচনার শুরু করতে হবে ‘সংঘাত শুরুকারী’ পক্ষ থেকেই।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত সপ্তাহে জেনেভায় পারমাণবিক আলোচনাও হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল নয়া শান্তিচুক্তি বা নিউক্লিয়ার ব্যবস্থাপনা আলোচনা করা। ওমানের মধ্যস্থতায় এ আলোচনা মোটামুটি ফলপ্রসূ ছিল বলেও খবরে বলা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি পেছনে ফেলে তা কার্যকর সমাধানে পৌঁছায়নি।





