বেসেন্ট বলেন, এটি ‘খুব সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি একটি সাময়িক ব্যবস্থা’, যা কেবল চলাচলরত তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এতে রুশ সরকারের উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা হবে না। উপসাগরে জাহাজ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ) তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠে যায় এবং শেয়ারবাজারে পতন ঘটে। উপসাগরে আরও তিনটি কার্গো জাহাজে হামলার খবর এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ রাখার অঙ্গীকারের পর তেলের বাজারে চাপ বাড়ে। আজ (শুক্রবার, ১৩ মার্চ) এশিয়ার লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়ায়েছে, আর যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৯৫ দশমিক ৪১ ডলারে নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন:
জ্বালানির দামের উল্লম্ফনের পর বিভিন্ন দেশও নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। গত (বুধবার ১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) রেকর্ড ৪০ কোটি ব্যারেল তেল মজুত ছাড়ার ঘোষণা দেয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিপুল তেল আমদানিকারক এশীয় দেশগুলোও ব্যবস্থা নিচ্ছে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট সরকারি কর্মীদের জ্বালানি সাশ্রয়ে চার দিনের কর্মসপ্তাহে যেতে বলেন। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ড পেট্রলের দামে সীমা নির্ধারণ করেছে।
বেসেন্ট বলেন, ‘তেলের দামের এ সাময়িক বৃদ্ধি স্বল্পমেয়াদি ব্যাঘাত।’ তিনি আরও জানান, সামরিকভাবে সম্ভব হলেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে যুক্তরাষ্ট্র পাহারা শুরু করবে। স্কাই নিউজকে তিনি বলেন, ‘নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই তা করা হবে।’

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



