তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি সচল করতে বেইজিংকে চাপ দেয়ার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে না।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চীনের সঙ্গে কথা বলছি। আমি যেতে খুবই আগ্রহী, কিন্তু যুদ্ধের কারণে আমি এখানে থাকতে চাই।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করেছি, এটি যেন এক মাস বা তার কিছু বেশি পিছিয়ে দেয়া হয় এবং আমি শি জিন পিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি। একটি যুদ্ধ চলছে। আমি মনে করি, এখানে থাকা আমার জন্য জরুরি।’
এর আগে ট্রাম্পের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সফরটি নির্ধারিত সময়ে হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তবে তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি সচল করতে চীনকে চাপ দিতে এ বিলম্ব করা হচ্ছে না।’
বেসেন্ট আরও বলেন, ‘নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সফরটি হবে কি না, তা আমরা দেখব। তবে আমি যেটি পরিষ্কার করতে চাই, বাইরে একটা ভুল বর্ণনা রয়েছে যে বৈঠকগুলো পিছিয়ে গেলে, সেটি এ কারণে হবে না যে প্রেসিডেন্ট চীনের কাছে হরমুজ প্রণালিতে নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।’




