বিপর্যস্ত তেহরান-তেল আবিবের জনজীবন, ইরানিদের পাশে কাশ্মীরের শিয়া সম্প্রদায়

তেহেরানে ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা
তেহেরানে ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা | ছবি: সংগৃহীত
0

পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে থাকায় বিপর্যস্ত তেহরান ও তেল-আবিবের জনজীবন। ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ভয়-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ইসরাইলিদের। অন্যদিকে, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইরানের জনগণের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহ করছেন ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের শিয়া মুসল্লিরা।

চার সপ্তাহে গড়িয়েছে ইরান যুদ্ধ। পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রতি মুহূর্তে প্রাণহানির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। রেহাই পায়নি যুদ্ধ নামক বিভীষিকাময় শব্দটির অর্থ না বোঝা শিশুরাও।

ইরানের ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিপর্যস্ত তেল-আবিবের জনজীবন। কয়েকজনের বর্ণনায় ছিল হামলার ভয়াবহতা।

কয়েকজন ইরানি বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। এমন সময় আমাদের বাড়ি থেকে ২০ মিটার দূরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। হামলা অব্যাহত রয়েছে। শিশুরা শঙ্কিত। সবসময় বড় হামলার ঝুঁকিতে থাকি।’

আরও পড়ুন:

একের পর এক মার্কিন-ইসরাইল যৌথ হামলায় তেহরানে ১৫শ’ মৃত্যু ছাড়িয়েছে। জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

অন্য একজন বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে আমাদের ব্যবসা বন্ধ। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত।’

এদিকে, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইরানের মানুষের পক্ষে তৈরি হয়েছে বিশ্ব জনমত। এরইমধ্যে ভারত- নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ইরানি নাগরিকদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। নগদ অর্থ ছাড়াও, সোনা, রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী দানবাক্সে দিচ্ছেন রাজ্যটির শিয়া মুসল্লিরা।

কাশ্মীরের শিয়া মুসল্লিরা বলেন, ‘দূর দূরান্ত থেকে নানা বয়সের মানুষ আসছে এবং ইরানের পক্ষে অনুদান দিচ্ছে। এটিই প্রমাণ করে ইরানের জনগণের প্রতি মানুষের সংহতি। বিশ্বে যে প্রান্তেই নিপীড়ন চলুক না কেন, আমরা তাদের সহায়তা করব। ধর্ম আমাদের এ শিক্ষাই দিয়েছে।’

এসব অনুদানের অর্থ ভারতে নিযুক্ত ইরানের দূতাবাসে হস্তান্তর করা হবে।

ইএ