ইসরাইল জানিয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। এ হুমকির বিষয়ে জনগণকেও সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কয়েক ঘণ্টা আগে গতকাল (শুক্রবার, ২৭ মার্চ) ইরান-সমর্থিত হুথিরা বলেছিল, ইরান ও তারা যাকে ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ বলে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাবস্থায় উত্তেজনা বাড়তে থাকলে তারাও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তবে কী ধরনের হস্তক্ষেপ নেয়া হবে, সেটা তারা জানায়নি।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধে হুথিদের যুক্ত হওয়া আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের বাইরে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং আরব উপদ্বীপ ও লোহিত সাগরের আশপাশে জাহাজ চলাচলের পথ ব্যাহত করার সক্ষমতা হুথিদের রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজায় হামাসকে সমর্থন জানিয়ে তারা এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
এদিকে চার সপ্তাহ আগে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের শিয়া মিত্রদের মধ্যে লেবানন ও ইরাকের গোষ্ঠীগুলোও এরইমধ্যে যুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।





