পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড নিশ্চিত করেন ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী উদ্ধার করেছে।
ক্রু সদস্যটিকে কর্নেল হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প লেখেন,‘তার অবস্থান ২৪ ঘণ্টাই নজরদারিতে রাখা হয়েছিল এবং তাকে উদ্ধারের পরিকল্পনা চলছিল।’
ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘গত কয়েক ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে দুঃসাহসী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানগুলোর একটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে, আমাদের এক অসাধারণ ক্রু সদস্য কর্মকর্তার জন্য, যিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত কর্নেলও বটে এবং সবাইকে জানাতে পেরে আমি আনন্দিত যে তিনি এখন নিরাপদ ও সুস্থ আছেন!’
ট্রাম্পের আরও জানান, ওই সামরিক কর্মকর্তা ইরানের দুর্গম পাহাড়ে ‘শত্রুপক্ষের পেছনে’ ছিলেন। তার অবস্থান নজরদারিতে রেখে উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়।
ট্রাম্প জানান, তার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত’ কয়েক ডজন বিমান পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ওই কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, তবে তিনি ভালো থাকবেন।
তিনি আরও জানান, এর আগের দিন আরও একজন মার্কিন পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় উদ্ধার অভিযান ঝুঁকিতে ফেলতে না চাওয়ায় সেটি তখন প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি বলেন, সামরিক ইতিহাসে এটাই প্রথম ঘটনা, যেখানে দুই মার্কিন পাইলটকে আলাদাভাবে শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই দুই অভিযানে ‘একজনও মার্কিন নাগরিক নিহত বা আহত হননি’ বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, এতে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে ইরানের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপ্রতিরোধ্য আকাশ আধিপত্য ও শ্রেষ্ঠত্ব’ অর্জন করেছে।


 Director-General Tedros Adhanom Ghebreyesus-320x167.webp)


