৫৬ বছর বয়সী খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি বিমান হামলায় তার বাবা, সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে তিনি কোনো ভিডিও বা ছবিতেও হাজির হননি। পরে হামলার কয়েক দিন পর তাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেয়া হয়।
রয়টার্সকে দেয়া তিনটি সূত্রই জানিয়েছে, হামলায় খামেনির মুখ বিকৃত হয়ে গেছে এবং তার এক বা দুই পা আহত হয়েছে। ওই হামলায় তার বাবা এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্য—স্ত্রী, ভগ্নিপতি ও ভগ্নিপত্নীও নিহত হন। তবে সূত্রগুলোর বর্ণনা রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
আঘাতের মাত্রা নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া হয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সংবাদ পাঠক তাকে নেতা হিসেবে নাম ঘোষণার পরপরই ‘জানবাজ’ বলে উল্লেখ করেন। এ শব্দটি যুদ্ধে গুরুতর আহত ব্যক্তিদের বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন তথ্য, এর মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের অ্যাকাউন্ট এবং গোয়েন্দা মূল্যায়ন সম্পর্কে জানা একটি সূত্রও বলছে, খামেনি ‘আহত এবং সম্ভবত বিকৃতচেহারার’ হয়েছেন এবং সম্ভবত একটি পা হারিয়েছেন। সিআইএ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খামেনি তার বাবার কট্টর অবস্থানই অব্যাহত রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) সঙ্গে তার বিস্তৃত সম্পর্কের কারণে। এই বাহিনী ইরানের ভেতরে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি।





