প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান (পিইউকে) মনোনীত এ প্রার্থী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুথান্না আমিন নাদেরকে ২১২ ভোটে পরাজিত করেন। মুথান্না পেয়েছেন মাত্র ১৫টি ভোট।
শপথ গ্রহণের পর পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তিনি ‘ইরাক ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের অঙ্গীকার করেন এবং দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সব প্রশাসনিক শাখার সঙ্গে মিলে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ইরাকের সংবিধান অনুযায়ী, পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিধান থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে এ ভোট কয়েক দফা স্থগিত করা হয়েছিল। অবশেষে আমেদির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ইরাকের সরকার গঠনের দীর্ঘসূত্রতা কাটল। গত নভেম্বরের নির্বাচনের পর প্রায় ১৫০ দিন দেশটিতে কোনো নতুন সরকার ছিল না।
ইরাক মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পরবর্তী ধাক্কা সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। এমন কঠিন সময়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।—আল জাজিরা





