পরমাণু কর্মসূচি:
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি চিরতরে বন্ধ করে দিক। তবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ ধরনের যেকোনো বিধিনিষেধ কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হতে পারে, আজীবনের জন্য নয়।
ইউরেনিয়াম মজুত:
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের হাতে থাকা প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে দিয়ে দিতে হবে। তেহরান শুরু থেকেই এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
হরমুজ প্রণালি ও নৌ-অবরোধ:
ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলো থেকে নৌ-অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ বজায় থাকবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের অবস্থান হলো, কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না।
জব্দ করা অর্থ ফেরত:
যেকোনো স্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ২০ বিলিয়ন (২ হাজার কোটি) মার্কিন ডলারের সম্পদ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে।
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ:
ইরান গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় ২৭০ বিলিয়ন (২৭ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তেহরানের মতে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ ছাড়া কোনো টেকসই শান্তি সম্ভব নয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের এই বিপরীতমুখী ও কঠোর শর্তাবলির কারণে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হতে যাওয়া আলোচনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।





