গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফররত একদল ব্রিটিশ শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলাপকালে টার্নার এই মন্তব্য করেন। এমন এক সময়ে তার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে এলো যখন ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধে জড়ানো নিয়ে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যকার সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এর ফলে ব্রিটিশ সরকারকে বেশ অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে টার্নার বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝাতে স্পেশাল রিলেশনশিপ বা বিশেষ সম্পর্ক শব্দটি ব্যবহার করাটা অনেকটা অতীতের স্মৃতিচারণা করার মতো। এই শব্দটির সঙ্গে অনেক পুরনো ইতিহাস জড়িয়ে আছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি সম্ভবত একটি দেশই আছে যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে—আর সেই দেশটি সম্ভবত ইসরাইল।’
সাধারণত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই লন্ডন ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ককে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে ব্রিটেনের ভিন্ন অবস্থানের কারণে এই বন্ধুত্বে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে খোদ ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের মুখ থেকেই ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি উঠে এলো।




