ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করার জন্য তাদের ওপর নৌ-অবরোধ দীর্ঘায়িত করাই এখন পর্যন্ত ‘সেরা বিকল্প’। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যেকোনো শান্তি চুক্তিতে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়টি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে ইরান এই শর্তটি আপাতত আলোচনার বাইরে রাখতে চাইছে।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার তেহরানের পক্ষ থেকে নতুন কোনো প্রস্তাব আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। যদি প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারে, তবে সমুদ্রপথে এই অচলাবস্থা ও উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।





