ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মূলে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ‘সামরিক দুঃসাহসিকতা’। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের ছিল না।’
ইরানি বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণের মতে, ইরান যখনই কোনো আক্রমণ চালায়, তারা সাধারণত প্রকাশ্যে সেটির দায় স্বীকার করে। তবে এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অবস্থান ভিন্ন। তারা সরাসরি দায় অস্বীকার করে উল্টো আঙুল তুলছে ওয়াশিংটনের দিকে। আন্তর্জাতিক মহলে এই ব্যাখ্যা কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
আরও পড়ুন:
পর্যবেক্ষকরা ইরানের এ আচরণকে একটি পরিমিত বা সর্তক অবস্থান হিসেবে দেখছেন। এর পেছনে মূলত দুটি কারণ থাকতে পারে। ইরান স্পষ্ট করতে চায় যে, পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো অননুমোদিত যাতায়াতের পরিণতি হবে ভয়াবহ। তারা নিজেদের জলসীমায় আধিপত্য বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
অন্যদিকে, ইরান এমন কোনো কাজ করতে চাইছে না যাতে করে তারা নিজেরাই চলমান কোনো যুদ্ধবিরতি বা আন্তর্জাতিক চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হয়। সংক্ষেপে, ইরান একদিকে নিজের শক্তির জানান দিচ্ছে, আবার অন্যদিকে সরাসরি দায় এড়িয়ে গিয়ে নিজেকে একটি দায়িত্বশীল পক্ষ হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি বিবৃতি না আসায় পরিস্থিতি এখনো বেশ ধোঁয়াশাচ্ছন্ন।





