বৈঠক শেষে কাতারের প্রধানমন্ত্রী জানান, সংঘাত নিরসনে ও উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলাপ হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র থমাস পিগট ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে একটি শান্তি প্রস্তাবের বিষয়ে তেহরানের জবাবের অপেক্ষায় থাকার সময়ে দোহার এই তৎপরতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া কাতারের প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে মার্কিন সহায়তার বিষয়েও দুই নেতা আলোচনা করেন।
বিদ্যমান সংকট নিরসনে আলোচনাকে একমাত্র পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক চুক্তিতে পৌঁছাতে সব পক্ষকে ইতিবাচকভাবে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে।’ দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য সংকটের মূলে গিয়ে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।





