স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান ইওয়ান রামদানি জানান, মৃত দুজনকে একে অপরকে জড়িয়ে ধরা অবস্থায় পাওয়া গেছে। দুর্গম ভূখণ্ড ও বৃষ্টির কারণে মরদেহ দুটি উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এছাড়া আগ্নেয়গিরি থেকে অনবরত ছাই নির্গত হওয়ায় উদ্ধারকাজ বারবার ব্যাহত হয়। গতকালের অভিযানে দুটি থার্মাল ড্রোনসহ প্রায় ১৫০ জন উদ্ধারকর্মী অংশ নেন।
এই ঘটনায় নিখোঁজ এক ইন্দোনেশীয় পর্বতারোহীর মৃত্যুও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সাত সিঙ্গাপুরি ও ১০ ইন্দোনেশীয় নাগরিকসহ মোট ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া সাত নাগরিক আজই দেশে ফিরে যাচ্ছেন। তবে নিহত দুজনের মরদেহ কবে পাঠানো হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উত্তর মালুকু প্রদেশের এই আগ্নেয়গিরিটি গত শুক্রবার থেকে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
আকাশসীমার প্রায় ১০ কিলোমিটার ওপর পর্যন্ত ছাই ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা মাউন্ট ডুকোনো সংলগ্ন ৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে।





