মোহসেন রেজায়ি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য ইসরাইল লেবাননকে দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছে এবং দেশটিতে চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো স্থায়ী সমাধানের ক্ষেত্রে লেবানন ইস্যুটি আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে এবং ইরান তার মিত্রদের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের সমর্থনকে ‘কৌশলগত বিশ্বস্ততার’ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে রেজায়ি বলেন, যারা বিপদে সঙ্গীদের ত্যাগ করে তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রভাব হারায়। তিনি ইসরাইলকে সতর্ক করে বলেন, নতুন করে কোনো সংঘাত শুরু হলে উত্তর ইসরাইলকে গত ৪০ দিনের যুদ্ধের চেয়েও ‘অনেক বেশি কঠিন’ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।
সাক্ষাৎকারে রেজায়ি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের নিয়ন্ত্রিত একটি শক্তিশালী ‘প্রতিরোধক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই জলপথ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত, তবে এটি সামরিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।
একই সাথে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আস্থা ফেরাতে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের অন্তত ২৪ বিলিয়ন (২ হাজার ৪০০ কোটি) ডলারের তহবিল ছেড়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি।
চলতি বছরের শুরুতে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা অত্যন্ত ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত অভিযান ও বৈরুতে হামলার হুমকি সেই শান্তি প্রক্রিয়াকে আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।





