গেল এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর প্রথমবারের মতো মিত্র দেশ লেবাননে আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানিয়ে ইসরাইলের আকাশসীমা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে ইরান। রাতের অন্ধকারে ইরানের ছোঁড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মুহুর্মুহু আঘাতে মুহূর্তেই আলোর ঝলকানি তেল আবিবের আকাশে।
এদিকে, তেল-আবিবে আইআরজিসির হামলার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়তেই তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন রাস্তায় নামে সাধারণ মানুষ। হাতে ইরান ও হিজবুল্লাহর পতাকা ও সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির ছবি নিয়ে ইরানপন্থি নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘আমি আনন্দিত। আমাদের এ অঞ্চলে ইসরাইলের দখলদারিত্ব ভেঙ্গে দিতে লেবাননের জনগণ ও শিয়াদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
আরও পড়ুন:
অন্য আরেকজন বলেন, ‘হামলার বিপরীতে পাল্টা হামলা চালাবে। কিন্তু এতে ভয় পাচ্ছি না। অবকাঠামোর একবার ধ্বংস হলে, আবার গড়া সম্ভব। কিন্তু জাতীয় গর্ব একবার ক্ষুণ্ণ হলে, আলোচনা দ্বারা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।’
অন্যদিকে, তেহরান-তেল আবিব হামলা-পাল্টা হামলার জেরে আতঙ্কে ইসরাইলের বাসিন্দারা। সোমবার অধিকৃত জেরুজালেম ও হাইফার স্কুলগুলোতে ছিলো না শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। এছাড়াও, হামলা থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তেল আবিবের সাধারণ মানুষ। হামলার শঙ্কা থাকলেও নেতানিয়াহুর যুদ্ধনীতির পক্ষেই সাফাই গান তারা।
ইসরাইলের স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘আমি মনে করি, এটাই উপযুক্ত সময় ইরানে আক্রমণের। যুদ্ধে আমরা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা সেনা হারিয়েছি। মূলত এটা ইসরাইলের বিষয়। তাই যা সিদ্ধান্ত, আমরাই নেব।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘ইরানিরা ভুলে যাচ্ছে, ইসরাইলিরা শক্তিশালী। আমরা ভীত নয়। আমি আশা করি, ট্রাম্পও বুঝতে পারবে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না।’




