গুতেরেস বলেন, ‘সব ধরনের হামলা এখনই বন্ধ করতে হবে। লেবানন, ইরান ও গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতিগুলো অবশ্যই পুরোপুরি মেনে চলতে হবে।’ গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ৮ জুন প্রথমবারের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। মূলত লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে এর জবাবে এই হামলা চালায় তেল আবিব।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বার্তার পর ৮ জুন দুই দেশই সাময়িকভাবে লড়াই থামানোর ঘোষণা দেয়। তবে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে প্রয়োজনে পুনরায় হামলা চালানোর পথ খোলা রেখেছে। এপ্রিলের পর দুই দেশের মধ্যে এমন সরাসরি সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ সুগম করতে ইসরাইলকে বন্ধ করে দেয়া সীমান্ত পথগুলো খুলে দেয়ার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘গাজায় সীমান্ত পথগুলো বন্ধ করে দেয়ার ইসরাইলি সিদ্ধান্তে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি আবারও সব পথ অবিলম্বে খুলে দেয়ার আহ্বান জানাই, যেন পুরো গাজাজুড়ে দ্রুত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে বড় পরিসরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা যায়।’
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যেখানে ত্রাণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। তবে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি চলাকালেই ইসরাইলি হামলায় ৯৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরাইলের দাবি, একই সময়ে হামাস যোদ্ধাদের হাতে তাদের চারজন সৈন্য নিহত হয়েছেন।





