‘ট্রেন ডি আরাগুয়া’ প্রধানের মৃত্যু; ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যৌথ অভিযানের দাবি ট্রাম্পের

ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা ট্রেন ডি আরাগুয়ার  শীর্ষ নেতাকে হামলার ছবি
ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা ট্রেন ডি আরাগুয়ার শীর্ষ নেতাকে হামলার ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

ভেনেজুয়েলার দুর্ধর্ষ অপরাধী গোষ্ঠী ‘ট্রেন ডি আরাগুয়া’র শীর্ষ নেতা হেক্টর রাস্টেনফোর্ড গুয়েরেরো ফ্লোরেস মার্কিন সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন। গতকাল (শুক্রবার, ১২ জুন) ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ভেনেজুয়েলার সহায়তায় এই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমার নির্দেশে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড এক দ্রুত ও প্রাণঘাতী হামলার মাধ্যমে ট্রেন ডি আরাগুয়ার কুখ্যাত নেতা নিনো গুয়েরেরোকে খতম করেছে। এই গোষ্ঠীটি পৃথিবীর অন্যতম রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী সংগঠন।’ তিনি আরও জানান যে, এই ব্যবস্থাটি ভেনেজুয়েলার বন্ধুদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে নেয়া হয়েছে, যাদের সঙ্গে তার প্রশাসন বর্তমানে বেশ ভালো কাজ করছে। ভেনেজুয়েলাও এই ‘যৌথ অভিযানে’ গ্যাং লিডারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

ট্রেন ডি আরাগুয়াকে যুক্তরাষ্ট্র একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। গুয়েরেরো ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে গত ডিসেম্বরে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে চাঁদাবাজি ও এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্ত্রাসীদের সহায়তাসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট তার সন্ধান দিতে ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। মার্কিন অ্যাটর্নি জে ক্লেটন জানান, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপজুড়ে অগণিত সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও মাদক পাচারের জন্য এই গ্যাং দায়ী। উল্লেখ্য, ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার জে ক্লেটনকে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক হিসেবে মনোনীত করেছেন।

অভিযান সফল হওয়ার পর ট্রাম্প তার পূর্বসূরি জো বাইডেনের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমি ক্ষমতায় ফেরার আগে জো বাইডেন আমাদের দক্ষিণ সীমান্ত খুলে দিয়েছিলেন, যার ফলে লাখ লাখ অবৈধ অপরাধী প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। এই বিদেশি বাহিনী মার্কিন নাগরিকদের ধর্ষণ ও হত্যা করার সুযোগ পেয়েছে।’ এই সময় তিনি জোসেলিন নুঙ্গারায় এবং লেকেন রেইলি নামের দুই মার্কিন নাগরিকের হত্যার প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যাদের মৃত্যুর জন্য রক্ষণশীলরা ডেমোক্র্যাটদের সীমান্ত নীতিকে দায়ী করে থাকেন।

এএম