কোটা না বাড়ালে বিকল্প পথ খুঁজবে ইরাক; ওপেক ছাড়ার জল্পনা

ড্রোনের ক্যামেরায় ধারণকৃত ইরাকের বসরার রুমািলা তেলক্ষেত্রের দৃশ্য
ড্রোনের ক্যামেরায় ধারণকৃত ইরাকের বসরার রুমািলা তেলক্ষেত্রের দৃশ্য | ছবি: রয়টার্স
0

নিজেদের তেলের উৎপাদন কোটা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো না হলে সব ধরনের বিকল্প পথ বিবেচনা করতে বাধ্য হবে ইরাক। আজ (বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরাকের তেল মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট অন্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরাকি কর্মকর্তারা প্রয়োজনে ওপেক ত্যাগের বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছেন। তবে বর্তমান পরিকল্পনা হলো ওপেকের সদস্যপদ বজায় রাখা এবং কোটা বৃদ্ধির জন্য চাপ দেয়া।

ইরাক যদি শেষ পর্যন্ত ওপেক ছেড়ে দেয়, তবে এটি হবে জোটটির জন্য বড় এক ধাক্কা। চলতি বছরের শুরুর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। উল্লেখ্য, ইরাক ওপেকের পাঁচ প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম এবং এই জোটটি ইরাকের রাজধানী বাগদাদেই গঠিত হয়েছিল। ইরাকের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওপেকের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইরাকি ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইরাক বর্তমানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তেলের উৎপাদন কোটা বৃদ্ধি দেশটির জন্য অপরিহার্য এবং একে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। ওপেক প্লাস জোটটি মূলত পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক এবং রাশিয়ার মতো সহযোগী উৎপাদক দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত।

এএম