রোববার জোড়া ভূমিকম্পের ৪ দিন পর, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী দলের চেষ্টায় ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করা হয় বাবা- ছেলেকে। পরে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় উদ্ধারকারী দল।
উদ্ধারকারী দলের একজন বলেন, ‘৪ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকায়, বাবা- ছেলে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
এছাড়াও, উদ্ধারকারী দলের প্রত্যাশা, ভূমিকম্পের চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও ধ্বংসযজ্ঞ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধার করা সম্ভব। বিশেষ করে ধ্বংসস্তূপের ভেতরে খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা গেলে দ্রুত উদ্ধার সম্ভব বলেও মনে করছেন তারা।
তবে সময় যত গড়াচ্ছে উদ্ধারকাজে ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের। দিন- রাত এক করে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের অপেক্ষায় ধ্বংসস্তূপের সামনে অপেক্ষা করলেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভেতরে এখনও অনেক জীবিত মানুষের আওয়াজ শোনা গেলেও যন্ত্রপাতির অভাবে তাদেরকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপ সরাতে আরও আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। শুধু আমাদের বিল্ডিংয়েই ৩০০ জনের মতো নিখোঁজ। কিন্তু ৪ দিন অতিবাহিত হলেও, এখন পর্যন্ত মাত্র ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’
এদিকে, প্রলয়ংকারী ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্য পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে লা- গুয়াইরার ৭৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পরিষেবা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি। পাশাপাশি পানি সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। আমরা সমগ্র দেশের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নে প্রেসিডেন্ট কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এছাড়াও, ভূমিকম্পে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া ভেনেজুয়েলার বাসিন্দাদের সহায়তায় নতুন করে ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছে বিভিন্ন দেশ।




