সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরাইলিরা নিজেরাই এটা স্বীকার করে। একজন ইহুদি মানুষ কীভাবে ডেমোক্র্যাটকে ভোট দেন, তা আমার বোধগম্য নয়।’ চার মাস পার হয়ে যাওয়া ইরান-যুদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি আসলে সেই অর্থে কোনো যুদ্ধ নয়, বরং ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ। ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে দেয়া যাবে না।’ ট্রাম্পের ভাষায়, ‘দেড় বছর আগে বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করত, কিন্তু এখন আর তা করে না। আমরা আবারও সম্মানিত জাতিতে পরিণত হয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অতীতে ‘বেশ কয়েকজন খারাপ প্রেসিডেন্ট’ ছিলেন।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের অবরোধের কারণে ইরানে একটি জাহাজও প্রবেশ করতে পারেনি। এটিকে তিনি ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে সিএনবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বৈশ্বিক নৌপরিবহন বিশ্লেষণ সংস্থা ‘লয়েডস লিস্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ছায়া বহরের (শ্যাডো ফ্লিট) মাধ্যমে এই অবরোধ একাধিকবার ভেঙে দেয়া হয়েছে।
ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কিনবে। তিনি বলেন, ‘তাদের খাবার প্রয়োজন। তাদের ভুট্টা, গম ও সয়াবিন লাগবে, যা আমরা আমেরিকান কৃষকদের মাধ্যমে সরবরাহ করব।’ তবে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দোলনাসের হেম্মাতি সিএনবিসির প্রতিবেদনে তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কেনার কোনো ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ফলে ইরান যে অর্থ পাবে, তা দিয়ে দেশটি সামরিক শক্তি না বাড়িয়ে খাদ্য কিনবে।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



