ইউক্রেনের সুমি অঞ্চলে রুশ হামলার দৃশ্য এটি। মস্কোর মুহুর্মুহু হামলা থেকে সন্তানকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আপ্রাণ চেষ্টা।
শনিবার কিয়েভসহ ইউক্রেনের কয়েকটি শহরে দফায় দফায় হামলা চালায় রাশিয়া। এতে হতাহত হন কয়েকজন। আগুন লেগে যায় রাস্তায় থাকা কয়েকটি গাড়িতে। ধ্বংস হয়েছে একাধিক বহুতল ভবন।
ইউক্রেনের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে হামলার দাবি করে রুশ সেনারা। ক্রেমলিন জানায়, কয়েকটি মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনে একাধিক হামলা করেছে তারা। দখলে নিয়েছে সুমি অঞ্চল। এতে ক্ষোভ ঝাড়ছেন বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা; ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি
সুমি অঞ্চলের বাসিন্দারা বলেন, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে না। রাশিয়ারা আমাদের পরাজিত করতে অক্ষম। ইউক্রেন অনেক ছোট একটা দেশ। তবুও এটি রক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র পাশে রয়েছে। অবশ্য তারা নিজেদের রক্ষায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে। অবশ্য মস্কোর অনেক হামলা প্রতিহত করেছে কিয়েভ। প্রতিহত করেছে অন্তত ৪১ টি রুশ ড্রোন।
এ পরিস্থিতিতে অস্ত্রের ভাণ্ডার নতুন করে সমৃদ্ধ করতে মরিয়া ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক অস্ত্রের জন্য আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় পরিবর্তন আনতে চান।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অংশীদারদের সাথে সহযোগিতার একটি নতুন স্তর প্রয়োজন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ২৬৫ জন।





