রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসী হামলা’ তীব্র করেছে এবং দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, এই নৌ অবরোধ ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার লঙ্ঘনের ‘স্পষ্ট স্বীকারোক্তি’। বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ আনা হয়। এসব হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে তেহরান।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় হোভেইজেহ শহরের একটি শস্য সংরক্ষণ সাইলো, পশ্চিম ইরানের মুসিয়ানের একটি খনিজ পানি কারখানা এবং জেলেদের সহায়তায় ব্যবহৃত চাবাহারের একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বুধবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আহভাজ শহরে শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের কাছেও একটি মার্কিন হামলা হয়েছে বলে জানায় তেহরান। এ ঘটনাকে তারা ‘বর্বরোচিত’ বলে বর্ণনা করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব হামলা ‘জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন’। এর আগে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ‘সিদ্ধান্তমূলক ও সরাসরি’ জবাব দেয়া হবে।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। সংঘাতের অবসান ও স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি সমঝোতা স্মারক থাকা সত্ত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।





