বিস্ময়ের আরেক নাম মহাকাশ। যেখানে মাধ্যাকর্ষণ বল পুরোপুরি শূন্য নয়। অর্থাৎ আপেক্ষিক ওজনশূন্যতা থাকলেও সেখানে কিছুটা হলেও কাজ করে মাধ্যাকর্ষণ। এবার এক বছরের বেশি সময় ধরে মহাকাশে ভেসে থাকার পর চাঁদে আছড়ে পড়েছে স্পেসএক্সের একটি রকেটের অংশ।
খণ্ডিত অংশটি স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের। দেখতে যা অনেকটা স্কুলবাসের মতো। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ফায়ারফ্লাই এরোস্পেস কোম্পানির একটি যানকে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাঠাতে ফ্যালকন রকেট ব্যবহার করা হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আঘাতের ফলে চাঁদের বুকে প্রায় ৯৮ ফুট চওড়া একটি গর্ত বা গহ্বর তৈরি হতে পারে। এতে করে চাঁদে একটি গবেষণার দারুণ সুযোগ তৈরি হলো। কারণ রকেটের এই টুকরোটির আকার, গতি এবং আঘাত করার জায়গা বিজ্ঞানীদের আগে থেকেই জানা।
আরও পড়ুন:
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, এর ফলে বেশ বড়সড় একটা সংঘর্ষ ঘটবে। ধুলোর একটা স্তর সোজা আকাশের দিকে উঠে যাবে, সম্ভবত ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উঁচুতে। একটা বেশ বড় গর্ত হবে বস্তুটি আছড়ে পড়ার পর।
৪ মেট্রিক টন ওজনের এই রকেটের অংশটি ঘণ্টায় ৮,৬৯০ কিমি গতিতে চাঁদে আছড়ে পড়ার কথা। কিন্তু এসময় কোনো মহাকাশযান চাঁদের চারপাশে থাকায় সরাসরি ছবি তোলা যায়নি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, রকেটের অংশ চাঁদে পড়ার ফলে প্রচুর ধুলাবালি উড়বে, যা সূর্যের আলোতে স্পষ্ট হতে পারে। তবে পৃথিবী থেকে খালি চোখে তা দেখা কঠিন হবে।





