কোহেন বলেন, ‘মার্কিন বাহিনীর এই কেন্দ্রে বোমা হামলা করাটাই আমার সব স্বপ্নের পূরণ।’ ইরান দ্রুতগতিতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনো বোমা তৈরির অনেক পেছনে।’
উল্লেখ্য, পর্বতের গভীরে নির্মিত ফোর্দো পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে সম্প্রতি ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর সময় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা তখন জানিয়েছিল, এই হামলায় ‘সীমিত ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। সংস্থাটির উপপ্রধান ও মুখপাত্র বেহরুজ কামালভান্দি বলেন, ‘ফোর্দো কেন্দ্রের কিছু অংশে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা আগেই সরঞ্জাম ও উপকরণের বড় অংশ সরিয়ে নিয়েছিলাম। তাই বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং তেজস্ক্রিয় দূষণেরও কোনো আশঙ্কা নেই।’
কামালভান্দির দাবি, নাতাঞ্জের পারমাণবিক কেন্দ্রেও কেবল ওপরের অংশে ক্ষতি হয়েছে। বেশির ভাগ স্থাপনা মাটির নিচে থাকায় ভেতরে সামান্য কিছু ফাটল ধরলেও তা বাইরে ছড়ায়নি। এ ছাড়া ইসফাহানের পারমাণবিক কেন্দ্রেও সামান্য ক্ষতি হয়েছে। কোনো স্থাপনায় হামলার ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি জানান। তার ভাষ্য, ‘যেখানেই ক্ষতি হয়েছে, আমরা তা আরও ভালোভাবে পুনর্নির্মাণ করবো।’





