ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের লাগামহীন সহিংসতা এবং এ বিষয়ে ইসরাইল সরকারের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা জোরালো হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সফর অনুষ্ঠিত হল। তেল আবিব এ ধরনের সহিংসতার নিন্দা জানালেও হামলাকারীদের খুব কমই গ্রেপ্তার বা বিচারের আওতায় আনে। সহিংসতার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন সরাসরি সমালোচনা না করলেও অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে। রাষ্ট্রদূত হাকাবি এই হামলাকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তুরমুস আইয়ায় সাংবাদিকদের হাকাবি বলেন, ‘অপরাধমূলক আচরণ ও সন্ত্রাসবাদের’ সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া ইসরাইল সরকারের স্বার্থেই প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, কয়েকশো মানুষের একটি ক্ষুদ্র দল এ সহিংসতায় যুক্ত হয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তবে সরাসরি ব্যবস্থা নেয়ার কোনো এখতিয়ার মার্কিন দূতাবাসের নেই বলেও ফিলিস্তিনিদের জানান তিনি।
হাকাবির বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে স্থানীয় পৌরসভার মুখপাত্র ও ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ইয়াসির আলকাম বলেন, সহিংসতায় জড়িতদের সংখ্যা কয়েকশো নয়, বরং কয়েক হাজার। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের ক্ষমতা রয়েছে ইসরাইলকে অন্তত এসব চিহ্নিত বসতি স্থাপনকারীকে গ্রেপ্তার করতে চাপ দেয়ার।’
২০২৪ সাল থেকে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ছয়জন ফিলিস্তিনি আমেরিকান নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০২৩ সালে নিহত ওমর জাবারার স্ত্রী হাদিল জাবারাও শনিবার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।





