সম্প্রতি দেশটির আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের বেসামরিক এলাকা ও জ্বালানি কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীরা। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭০ জন সাধারণ মানুষ আহত হন এবং কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। এর ফলে সাময়িকভাবে কিছু জ্বালানি কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ‘হুথি মিলিশিয়ারা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পড়লেই সহিংসতার আশ্রয় নেয়। তারা ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংকটকে সৌদি আরবে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।’ সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই আক্রমণকে অসংবেদনশীল ও বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি বলে উল্লেখ করেন।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সামুদ্রিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধের তাগিদ দিয়েছে। গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউইসসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, মিসর ও পাকিস্তান এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।





