উন্মুক্ত তথ্যসূত্র, বিভিন্ন সরকারি উপাত্ত এবং বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এই হিসাব বের করেছে গবেষণা সংস্থাটি। এফএএস পারমাণবিক তথ্য প্রকল্পের পরিচালক হান্স ক্রিস্টেনসেনের লেখা এই প্রতিবেদনে বলা হয়, অপারেশনাল লঞ্চারের জন্য তৈরি ১৬০টির বেশি ওয়ারহেড ছাড়াও উৎপাদনাধীন নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য অতিরিক্ত আরও প্রায় ৩০টি পরমাণু ওয়ারহেড মজুদ রেখেছে ভারত।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের পরমাণু অস্ত্রাগারের আধুনিকায়ন অব্যাহত রেখেছে। বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং নৌবাহিনীর জন্য নতুন নতুন ডেলিভারি সিস্টেম যুক্ত করা হচ্ছে। গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে, ভারতের কাছে ১৪০ থেকে ২২৫টি পরমাণু ওয়ারহেড তৈরির উপযোগী প্রায় ৭৩০ কেজি অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম মজুদ থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষার পর ভারত ‘নো ফাস্ট ইউজ’ বা ‘আগে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার’ নীতি গ্রহণ করে, যা এখনো বহাল রাখা হয়েছে। ভারতের পার্লামেন্টেও সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে দেশটি ন্যূনতম প্রতিরোধ সক্ষমতা এবং আগে পরমাণু হামলা না চালানোর নীতি বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। গবেষকেরা মনে করছেন, ভারতের নতুন নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী দিনে দেশটির পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
—দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে অবলম্বনে





