শুক্রবার রিয়াদ জানায়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটি বন্ধ রাখা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কাছাকাছি ধোঁয়া ও পোড়া মাটি দেখা গেছে। হামলাটি ইরানের সীমান্তবর্তী মাইসান প্রদেশ থেকে পরিচালিত হয়েছে বলে স্বীকার করার পর সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সামরিক কমান্ডারকে পদচ্যুত করেছে ইরাক সরকার। একই সঙ্গে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে বাগদাদ।
জাহাজ চলাচলের তথ্য ও বিশ্লেষকদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৈশ্বিক অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহের ৪ থেকে ৫ শতাংশ পরিবহন করা হতো এ পাইপলাইন দিয়ে। এর পাশাপাশি ইয়েমেনের ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব-এল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সৌদি পতাকাবাহী জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আরব উপদ্বীপের দুই প্রান্তেই পরিবহন পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম গত জুলাইয়ের পর প্রথমবারের মতো ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ঘটনায় কয়েকজন আহত ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপের পর রিয়াদ এখনই কোনো পাল্টা ব্যবস্থা না নিয়ে বাগদাদকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ দিচ্ছে। তবে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় অবকাঠামো সুরক্ষায় রিয়াদ যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার রাখে বলে জোর দিয়েছে সৌদি আরব। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদও (জিসিসি) এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।





