যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের গড় দাম এখন প্রতি গ্যালন ৪ ডলারের বেশি। আর ডিজেলের দাম উঠেছে প্রায় ৬ ডলার ২০ সেন্টে। অবশ্য গেলো বছরের জানুয়ারিতে এ মূল্য ছিল প্রায় ৩ ডলার ৬০ সেন্ট। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন কৃষকরা। বাড়ছে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যের খরচও। শুধু তাই নয়, চলতি বছরের আগস্টে বৃদ্ধি বেড়েছে পাইকারি মূল্যস্ফীতি ও ভোক্তা মূল্যসূচক। ফলে অর্থনীতিতে স্বস্তির পরিবর্তে তৈরি হচ্ছে নতুন উদ্বেগ।
তবে বতর্মান পরিস্থিতির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকে সরাসরি দায়ী করছেন বিরোধীরা। বিশেষ করে কানাডার সঙ্গে নতুন করে বাণিজ্যযুদ্ধ, ইরান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সবকিছুর প্রভাব পড়ছে জ্বালানি ও পণ্যের দামে। এই ইস্যুগুলোই এখন কাজে লাগাচ্ছেন ডেমোক্র্যাটরা। ফলে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান, কানসাস, মেইন, ওহাইও ও জর্জিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন।
আরও পড়ুন:
মিশিগান, কানসাস, মেইন, ওহাইও ও জর্জিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস
কানসাসের রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালও স্বীকার করেছেন, হরমুজ প্রণালির চলমান অচলাবস্থা ডিজেলের দাম বাড়িয়ে কৃষকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। তার ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডাম হ্যামিলটন বলছেন, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের দায় এড়াতে পারেন না রিপাবলিকান প্রার্থীরা।
তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব পুরোপুরি নেতিবাচকও নয়। কেননা ঝুঁকিতে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থীদের নির্বাচনী সহায়তা দেয়া হচ্ছে তার রাজনৈতিক তহবিল থেকে। ফলে ট্রাম্পকে এড়িয়ে চলার সুযোগও কম রিপাবলিকানদের।
বিশ্লেষজ্ঞদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কিংবা তার নীতির প্রভাব, দুটিই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। প্রেসিডেন্টের প্রতি ভোটারদের অসন্তোষ যদি স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিফলিত হয়, তবে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পাশাপাশি সিনেটেও বড় চ্যালেঞ্জে পড়তে পারে রিপাবলিকান পার্টি।





