২০০৩ সালে তৎকালীন সাদ্দাম হোসেন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে আক্রমণ চালায় যুক্তরাষ্ট্র। দুই দশকের এ সংঘাত ও রক্তক্ষয়ী অভিযানে সাড়ে চার হাজারের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বাহিনীর প্রস্থান মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের উপস্থিতি দুর্বল করবে এবং ইরাকের রাজনীতি ও নিরাপত্তায় ইরানের একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে।
ইরাকি ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনীর এক কমান্ডার আবু মুজতবা আল-ইয়াসিরি বলেন, ‘৩০ সেপ্টেম্বর আমরা ইরাকের ইতিহাস থেকে একটি কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি উদযাপন করব। এই প্রস্থান বিদেশি দখলদারদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐতিহাসিক বিজয়।’
তবে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ফলে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শূন্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির অনেক সাধারণ নাগরিক ও উপজাতীয় নেতা। একই সঙ্গে সরকার ও কুর্দি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, মার্কিন বাহিনীর আকাশপথের পর্যবেক্ষণ, ড্রোন এবং গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধ হলে উগ্রবাদী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইএসের স্লিপার সেলগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে।





