তবে মুক্তি পেলেও তারা পুলিশি নজদারির আওতায় থাকবে। এদিকে, সন্দেহভাজনদের ছেড়ে দেয়ার খবরে নাখোশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউজে আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, এমন ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ঘটলে মার্কিন প্রশাসন সহজেই অভিযুক্তদের মুক্তি দিতো না।
অন্যদিকে, সন্দেহভাজন ৫ জনের সঙ্গে তেহরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে লন্ডনের ইরান দূতাবাস। রোববার স্থানীয় সময় রাতে পশ্চিম ইংল্যান্ডের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির আশেপাশে ৩টি বিস্ফোরক বোঝাই যান ঘোরাফেরা করছে এমন একটি জরুরি ফোন পেয়ে অভিযানে নামে পুলিশ।
পরে গ্রেপ্তার করা হয় সন্দেহভাজন ৫ জনকে। তারা প্রত্যেকেই যুক্তরাজ্যের নাগরিক।





