পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা জানান, বুধবার ভার্জিনিয়ার মেরিন কর্পস বেস কোয়ান্টিকো পরিদর্শনকালে জুনিয়র অফিসার ও সেনাদের সামনে ‘স্টেট অব দ্য ফোর্স’ শীর্ষক ভাষণে হেগসেথ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিবেন।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, হেগসেথ গত বছর সেনাবাহিনীর প্রায় ৮০০টি ফ্ল্যাগ ও জেনারেল অফিসার পদের মধ্যে ১০ শতাংশ কমানোর যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা দ্বিগুণ করে এবার মোট ২০ শতাংশ পদ ছেঁটে ফেলা হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফক্স নিউজ জানিয়েছে, এই ছাঁটাইয়ের আওতায় ওয়ান-স্টার জেনারেল বা তার সমতুল্য নৌবাহিনীর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা পড়তে পারেন।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে চাকরি হারাতে পারেন শত শত সিনিয়র ও উদীয়মান সামরিক নেতা। এমনিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বহু সিনিয়র সামরিক নেতাকে চাকরিচ্যুত বা অবসরে যেতে বাধ্য করেছেন। এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জ এবং সেনাবাহিনীর একমাত্র দুই নারী ফোর-স্টার কর্মকর্তা রয়েছেন।
সিনেট সশস্ত্র বাহিনী কমিটির র্যাংকিং সদস্য ও ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জ্যাক রিড এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, শীর্ষ নেতৃত্বের পদ ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিশ্বজুড়ে বড় বড় সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে এবং এরই মধ্যে বাহিনী চরম চাপে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।





