যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো ট্রাম্প

বোমারু বিমান
বোমারু বিমান | ছবি: সংগৃহীত
0

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো ট্রাম্প প্রশাসন। রোববার বি-ফিফটি টু এবং বি-ওয়ান বোমারু বিমানগুলো ফিরিয়ে নেয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রে। কারণ জানালো না হলেও ধারণা করা হচ্ছে যে সন্ত্রাসী হামলার হুমকিতেই পূর্ব-সতর্কতামূলক এ পদক্ষেপ মার্কিন বিমান বাহিনীর।

লন্ডনের মাত্র ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড। মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের সংঘাতে বিভিন্ন সময় ব্যবহৃত মার্কিন বোমারু বিমানগুলো রাখা হতো ব্রিটিশ এই সামরিক ঘাঁটিতেই। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধেও ছিল না ব্যতিক্রম।

যুক্তরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ঘাঁটিটি থেকে রোববার সবগুলো বোমারু বিমান দেশে ফিরিয়ে নেয় মার্কিন বিমান বাহিনী। প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানায়, ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে বি-ফিফটি টু এবং বি-ওয়ান যুদ্ধবিমানগুলো অবস্থান করছিলো ফেয়ারফোর্ডে। বিভিন্ন ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটেও ধরা পড়েছে একে একে বেশ কয়েকটি বোমারু বিমানের ফেয়ারফোর্ড ছাড়ার দৃশ্য।

যদিও, বিমানগুলো সরিয়ে নেয়ার কারণ জানায়নি ট্রাম্প প্রশাসন। তবে নেপথ্যে রয়েছে গেলো ২৭ সেপ্টেম্বর বিমানঘাঁটিটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যান শনাক্তের ঘটনা। ওই ঘটনায় এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে গ্রেপ্তারসহ মোট ছয়জনকে সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে পরে জামিনে ছেড়েও দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ফেয়ারফোর্ড থেকে সামরিক বিমান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক নয়, বরং সামরিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে।

থায়ের মার্শাল ইনস্টিটিউট অধ্যাপক ডেভিড ডিজ রচেস বলেন, ‘এটা উল্লেখযোগ্য কোনো বিষয় নয়। তবে দরকারি পদক্ষেপ। আরও আগেই এটা করে ফেলা দরকার ছিলো। বড় বিষয় বরং এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর সপ্তাহের শেষে ছেড়ে দেয়া। তারা যাই করে থাকুক না কেন, পুরো বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো। কারণ বিমানগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা থাকে এবং সাধারণ মানুষ মাত্র তিনশো গজ দূর থেকেই সেগুলো দেখতে পারে। তাই বিমানগুলো সহজেই ড্রোন হামলা বা গোলাগুলির শিকার হতে পারে।’

এটা খুব উল্লেখযোগ্য কোনো বিষয় নয়। তবে দরকারি পদক্ষেপ। আরও আগেই এটা করে ফেলা দরকার ছিল। বড় বিষয় বরং এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর সপ্তাহের শেষে ছেড়ে দেয়া। তারা যাই করে থাকুক না কেন, পুরো বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ বিমানগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা থাকে এবং সাধারণ মানুষ মাত্র ৩শ' গজ দূর থেকেই সেগুলো দেখতে পারে। তাই বিমানগুলো সহজেই ড্রোন হামলা বা গোলাগুলির শিকার হতে পারে।

ব্রিটিশ ও মার্কিন প্রশাসন ফেয়ারফোর্ড ইস্যুতে দায়ী করছে ইরানকেই। যদিও, প্রথম থেকেই এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে তেহরান।


এফএস