বিবিসির সংবাদ অনুযায়ী, এদিন দিল্লির স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে বৈঠকটি হয়। দিল্লির একাধিক কূটনৈতিক ‘সূত্রের’ বরাতে খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং দ্বিপক্ষীয় নানা ইস্যু নিয়ে ঢাকার বর্তমান মনোভাব ঠিক কী, সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই তার দিল্লিতে আসা।
গতকাল (সোমবার, ৫ অক্টোবর) রাতে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকা থেকে দিল্লিতে পৌঁছান।
ত্রিবেদীর এই সফর নিয়ে বাংলাদেশে ভারতের দূতাবাস, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রধানমন্ত্রীর মোদির কার্যালয়ের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
চব্বিশের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা ঘোচানোর জন্য পোড় খাওয়া রাজনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীকে রাষ্ট্রদূত করে বাংলাদেশে পাঠায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ত্রিবেদী দায়িত্ব নেয়ার পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা চালু করে ভারত।
দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণও জানান মোদি। কিন্তু তারেকের সেই সফর এখনও বাস্তবে রূপ নেয়নি।
এর আগে, গত ১১ আগস্ট ঢাকা থেকে সরাসরি দিল্লি গিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন ত্রিবেদী। আগের দিন ঢাকায় তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সেবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের বার্তা নিয়ে মোদির সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি।





