সম্মেলন চলাকালে ব্যাংককে যানজট কমাতে ১২, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১৩ অক্টোবর নিয়মিত সরকারি ছুটি এবং ১৬ অক্টোবর বিশেষ সরকারি ও ব্যাংক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সুবিধাজনক ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মূল সম্মেলনস্থল ও অতিথিদের জন্য নির্ধারিত ২১টি হোটেলের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ ব্যুরোর কমিশনার ফংসিয়াম মিখাংথং জানান, ৩৯টি দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে ভেন্যু, হোটেল ও পর্যটন এলাকাগুলোতে প্রায় ৫০০ ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা তদারকিতে ড্রোন ও পেট্রোলের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।
সম্মেলনে অংশ নিতে আসা শীর্ষ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন ও সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট থারমান শানমুগারাতনাম। গত ২২ বছরের মধ্যে এটি কোনো সুইস প্রেসিডেন্টের প্রথম থাইল্যান্ড সফর। থাইল্যান্ডের অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই সম্মেলন থেকে দেশটির অর্থনীতিতে ১০৫ কোটি থেকে ২২৫ কোটি বাথ যুক্ত হতে পারে। কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রতিনিধিদের যাতায়াতে ৩২০টির বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নামানো হচ্ছে।
তবে সম্মেলনের আগে নতুন করে ভাবাচ্ছে আবহাওয়া। ১০ ও ১১ অক্টোবর ব্যাংকক ও আশপাশের এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিএমএ)। এতে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে টানা তিন দিনে ৩২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের কারণে ব্যাংককের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছিল।





