ট্রাম্প ও জেলেনস্কির দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম

ব্রিটিশ প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্ডি বার্নহাম
ব্রিটিশ প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্ডি বার্নহাম | ছবি: সংগৃহীত
0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক দূরত্ব কাটিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দুই নেতার টানাপোড়েনের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার বার্তা দিতে বুধবার ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে জেলেনস্কিকে স্বাগত জানান বার্নহাম। আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সম্প্রতি ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে ডিজেল সরবরাহের একটি চুক্তি করেছেন এবং উভয় পক্ষের ওপর এককভাবে ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার হামলার কড়া সমালোচনা করে জেলেনস্কিকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প।

এই প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বার্নহাম বলেন, ‘আমার কাজ হলো সম্পর্ক জোড়া লাগানোর চেষ্টা করা, যাতে আন্তর্জাতিক সমর্থন আবার ফিরে আসে।’

প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম আরও যোগ করেন, ‘তাই এই মুহূর্তে সবাইকে আবার একসঙ্গে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে আমাকে সতর্কতার সঙ্গে ভূমিকা রাখতে হবে। আমি ঠিক এই দায়িত্বটাই পালন করতে চাই।’

জেলেনস্কির লন্ডন সফর এমন একসময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন কিয়েভ অভিযোগ তুলেছে যে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে রাশিয়াকে সহায়তা করছে। কিয়েভের দাবি, রাশিয়া থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের আগাম সতর্কবার্তা দিচ্ছে না ওয়াশিংটন এবং রণক্ষেত্রে সামরিক যোগাযোগের মূল মাধ্যম স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের গতিও কমিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্প এবং মার্কিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে ওয়াশিংটনের নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির কথা মনোযোগ দিয়ে শুনব। তবে আজ তিনি ব্রিটেন থেকে খালি হাতে ফিরবেন না।’ তিনি আশ্বাস দেন যে ইউক্রেনকে হালকা বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ দ্রুততর করবে ব্রিটেন, যা রাশিয়ার জেটচালিত ড্রোনের বিরুদ্ধে কিয়েভ ব্যবহার করছে। পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর নতুন দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের অঙ্গীকারও করেন তিনি।

এএম