বিক্ষোভে সহিংসতা দমনে নিজেদের ব্যর্থতার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছে ফরাসি সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বলেন, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
এছাড়া, নিজেদের রণকৌশল পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া, ফ্রান্সের লিও এবং প্যারিস শহরে বাড়ানো হয়েছে কারফিউয়ের মেয়াদ। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তুলুজ ও মার্সেই শহরেও। কারফিউ চলাকালীন বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্করা বাইরে একসঙ্গে চলাফেরা বা বের হতে পারবে না।
সহিংসতার পেছনে বিরোধী অতি-বামপন্থী দলগুলোকে দায়ী করছে সরকার। আর বিরোধীদের অভিযোগ, জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয় ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা কমে যাওয়া নিয়ে জনগণের ক্ষোভকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না।
এদিকে, বিক্ষোভ দমনে ইতালির মিলান শহরে ৫০০ সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আরও পড়ুন:





