সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া শারি দাবি করেন, সৌদি আরবের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে শুরু করে রাজধানী রিয়াদ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলার তালিকায় রয়েছে রাস তানুরা তেল শোধনাগার, আবকাইকে আরামকোর স্থাপনা, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রাবিগ তেল শোধনাগার এবং নাজরান অঞ্চলের একটি সৌদি সামরিক সদর দপ্তর।
গত সোমবার তেহরানে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ির আয়োজনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছিল। তবে সে উদ্যোগ সত্ত্বেও সীমান্তে আবার সামরিক সংঘাত তুঙ্গে উঠল।
হুথিদের এসব দাবির নিরপেক্ষ সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীন সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, রিয়াদ অভিমুখে হুথিদের ছুড়ে মারা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিরোধ ও ধ্বংস করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ক্ষেপণাস্ত্রের খণ্ডাংশের আঘাতে রিয়াদে এক সৌদি নাগরিক আহত হয়েছেন এবং একটি বাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা ঠেকানোর জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি অবিলম্বে প্রতিরোধমূলক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।





