১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে যে সীমান্ত অঞ্চল দুই কোরিয়াকে বিভক্ত করেছে, সেই ডিএমজেড বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মাইন পাতা এলাকাগুলোর একটি। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
দক্ষিণ কোরিয়ার এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, ২৫তম পদাতিক ডিভিশনের একটি দল ডিএমজেডে অভিযান চালানোর সময় এক সেনাসদস্য গুরুতর আহত হন।
ইয়োনহাপ টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট তিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। পরে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপিটাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত মাইনটি উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী পুঁতেছিল, নাকি দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর পুঁতে রাখা—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইয়োনহাপ টিভি।
ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃত সামরিক তথ্য অনুযায়ী, ডিএমজেড ও এর আশপাশে আনুমানিক ৮ লাখ মাইন পুঁতে রাখা রয়েছে। এর অনেকগুলোই কোরীয় যুদ্ধের সময় পাতা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও সীমান্ত এলাকায় নতুন করে মাইন পাতা হয়েছে।
২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়াকে তার দেশের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় মাইন পাতা ও ট্যাংকবিরোধী প্রতিবন্ধক নির্মাণ করে। সীমান্তকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





