সিইসি’র পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিরোধী জোটের সমাবেশ

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় | ছবি: দ্য হিন্দুস্তান টাইমস
0

সিইসি’র পদত্যাগের দাবিতে আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফের রাজপথে নামছে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ডাকা সমাবেশে সমর্থন জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সমাবেশ আয়োজনে পুলিশের অনুমতি মেলায় নেতাকর্মী ও নাগরিকদের দিল্লিতে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তবে বিক্ষোভের ঠিক দুইদিন আগে উত্তর প্রদেশের বিজেপি শাসিত সরকারের হুঁশিয়ারি, সরকারবিরোধী আন্দোলনে সামিল হলে সরকারি চাকরির আবেদনে লাল তালিকাভুক্ত করা হবে বিক্ষোভকারীদের।

গেল কয়েক মাস ধরেই ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল দেশটির রাজপথ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে জ্ঞানেশের পদত্যাগে ও বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় ভোটার সংশোধনী বা এসআইআর বাতিলের দাবিতে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট।

এর মধ্যে ইন্ডিয়া ব্লকের সিইসিবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে সিজেপি। বুধবার দলীয় প্যাডে এক বিবৃতির মাধ্যমে আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তবে তিনি ও তার দলের অনুসারীরা এই সমাবেশে যোগ দেবেন কি না তা স্পষ্ট করেননি বার্তায়।

এদিকে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আন্দোলনের অনুমতি পেয়েছে ব্লক। পুলিশের অনুমতি মেলায় শুরু হয়েছে মঞ্চ প্রস্তুতির কাজ। দিল্লিতে জড়ো হতে শুরু করেছে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:

পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দিলেও কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে ভুলেনি বিজেপি। দলটির সাংসদ রবি শঙ্কর প্রসাদের অভিযোগ, ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী আন্দোলনের বর্ষপূর্তির সময়টিকেই রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায় কংগ্রেস।

এদিকে আন্দোলনের ঠিক দু’দিন আগে কঠোর ঘোষণা দিয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। সরকারবিরোধী আন্দোলনে যারা যুক্ত থাকবে তাদেরকে সরকারি চাকরির আবেদনে লাল তালিকাভুক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রদেশটির সরকার।

আর এসআইআর নিয়ে এতো আন্দোলন ও বিতর্কের মাঝেই বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর মাধ্যমে কর্ণাটকের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় এক কোটি মানুষের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এসএস