বার্তা সংস্থা এএফপি জানান, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গত বছর দায়িত্ব গ্রহণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে জানুয়ারিতে চীন সফর করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্য নির্ভরতা কমাতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, বেইজিং কানাডীয় ক্যানোলা আমদানিতে শুল্ক কমাবে এবং কানাডীয় নাগরিকদের জন্য চীনে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ দেবে বলে জানা গেছে।
তবে কানাডার ঐতিহ্যগত মিত্র ও বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে জানিয়েছে, চুক্তিটি কার্যকর হলে কানাডীয় পণ্যে একশো শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
এদিকে, ওয়াশিংটনের দাবি এ চুক্তির ফলে চীন কানাডার মাধ্যমে পণ্য ‘ডাম্পিং’ করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
তবে, বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, চীন কানাডার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, এবং হস্তক্ষেপ দূর করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান ও সহযোগিতা পুনরায় শুরু করা যাবে।
এদিকে, মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে ২০১৪ সালে আটক কানাডীয় নাগরিক রবার্ট লয়েড শেলেনবার্গের মৃত্যুদণ্ড চীন বাতিল করেছে বলে ফেব্রুয়ারিতে এক কানাডীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন।
২০১৮ সালে ভ্যাঙ্কুভারে হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝৌ গ্রেফতারের পর চীন-কানাডা সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বেইজিং ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দুই কানাডীয় নাগরিক, মাইকেল স্পেভর ও মাইকেল কোভরিগকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক করে। এ ঘটনাকে অটোয়া প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেয়।
এদিকে, গতকাল (শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকে ওয়াং ই প্রধানমন্ত্রী কার্নির চীন সফরকে ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের মধ্যে একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল ‘নতুন ধরনের কৌশলগত অংশীদ্বারিত্ব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।





