যুদ্ধের সময় দীর্ঘ হতেই ইরানে মর্কিন স্থল অভিযানের শঙ্কা যখন প্রকট হচ্ছে। এমন সময় জলপথের বাধা ডিঙিয়ে কীভাবে ভূখণ্ডে পা রেখে আক্রমণ চালানো যায় সেই মহড়া সারলো দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল সেনা। এছাড়ও দীর্ঘমেয়াদী সামরিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া জুড়ে প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনে ক্ষিপ্ত উত্তর কোরিয়া।
এমন পরিস্থিতিতে একদিনে অন্তত ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের উপস্থিতি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক-এ মহড়া চালানো হয়। নিক্ষেপ করা রকেটগুলো কোরিয়ার পূর্ব সাগরের সাড়ে তিনশ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে শতভাগ নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে বলেও দাবি করছে পিয়ংইয়ং।
আরও পড়ুন:
ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাড়ে তিনশো কিলোমিটার উড়েছিলো বলে তথ্য প্রকাশ করেছে সিউলও। এ অবস্থায় অঞ্চলটির মিত্রদের প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে কড়া বার্তা দিলো ইন্দো-প্যাসিফিকের মার্কিন কমান্ড। একদিনে উত্তর কোরিয়ার এক ঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে অংশীদারদের সঙ্গে জরুরি পরামর্শও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে আসছে উওর কোরিয়া। যা পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহের উপায় তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে ধরা হয়। এমনকি উত্তর কোরিয়া ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
প্রয়োজনে বর্তমান যুদ্ধেও ইরানের পক্ষে উত্তর কোরিয়া ঝাঁপিয়ে পরার শঙ্কা আছে। কারণ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ৫ বছর ধরে চলমান যুদ্ধেও মিত্র রাশিয়ায় হাজার হাজার সেনা পাঠানোর নজির আছে দেশটির। এমন উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সামলাতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।





