মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) ‘পুরো একটি সভ্যতার’ প্রতি হুমকির কথা বলেছিলেন।
তবে আজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
এ বিষয়ে পিট হেগসেথকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে— ইরান যদি আলোচনায় না আসত এবং যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হতো, তাহলে কি প্রেসিডেন্ট ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে প্রস্তুত ছিলেন?
উত্তরে হেগসেথ বলেন, ‘আমি যেমনটি বলেছি, অবকাঠামো—সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র—এসব লক্ষ্য করে আমাদের প্রস্তুত অবস্থায় পরিকল্পনা ছিল।’
আরও পড়ুন:
তিনি ইরানকে একটি ‘সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘তারা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো দ্বৈত উদ্দেশে ব্যবহার করে।’
খারগ দ্বীপেও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল বলে জানান তিনি।
হেগসেথের দাবি, ইরান ‘বুঝতে পেরেছিল’ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সক্ষমতা ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে, এবং ‘এ কারণেই তারা আলোচনায় এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের হুমকিই তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যেখানে তারা কার্যত বলেছে—‘আমরা এই চুক্তি করতে চাই।’
এর আগে মঙ্গলবার ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘আজ রাতে একটি সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে, যা আর কখনো ফিরবে না। আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত সেটাই হবে।’





