গাজায় চলমান সংঘাত অবসান ঘটাতে অবশেষে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে বোর্ড অব পিসের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এ বিষয়ে গেলো বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এরইমধ্যে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে হামাসের সম্মতির পর গাজা শাসন করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটি। গতকাল (শুক্রবার, ৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তারা জানায়, গাজা পুনর্গঠনের জন্য দীর্ঘস্থায়ী আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার, পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান এবং সব অংশীদারের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।
তবে চুক্তির বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। অবশ্য বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের এক জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা জানান, গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র না হলে নিজ সেনাদের প্রত্যাহার করবে না তেলআবিব।
আরও পড়ুন:
আর খসড়াটিকে অগ্রহণযোগ্য বলে তা নাকচ করে দিয়েছেন কট্টর ডানপন্থী ইসরাইলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির। অন্যদিকে ইসরাইল তাদের সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধের পাশাপাাশি গাজা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করলেই অস্ত্র হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে হামাস।
যাদের নিয়ে এই চুক্তি তাদের এমন মুখোমুখি অবস্থান সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য বোর্ড অফ পিস’র করা চুক্তিতে ইসরাইল খুবই খুশি ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বোঝাপড়া আছে। চুক্তিটিতে ইসরাইল খুব খুশি। ইসরাইল আমাদের সাহায্য করেছে এবং তারা খুবই ভালো ব্যবহার করেছে। বেশিরভাগ মানুষ বলেছিল, এটি এমন একটি চুক্তি হবে যা বাস্তবায়ন করা অসম্ভব। ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়।’
এদিকে ট্রাম্পের এমন ইতিবাচক মন্তব্য সত্ত্বেও গাজা জুড়ে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে এই চুক্তিও তথাকথিত যুদ্ধবিরতির মধ্য ভেস্তে যেতে পারে বলে আশংকা বিশ্লেষকদের।





