যুক্তরাষ্ট্র কাছে স্ত্রীসহ মাদুরো বন্দি হওয়ার দুদিন পর ফের গোলাগুলির শব্দে কেঁপে উঠলো কারাকাস। সোমবার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে , মাদুরো পরবর্তী ভেনেজুয়েলার শাসনভার সামলাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডেলসি রদ্রিগেজ। তিনি ছাড়াও দায়িত্ব নেন আরও ২৮৩ আইনপ্রণেতা। শপথ অনুষ্ঠানে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ‘বীর’ বলে সম্বোধন করেন ডেলসি।
ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, ‘নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিয়ে যাওয়ায় আমি ব্যথিত। এ দুঃখ মাথায় নিয়েই ভেনেজুয়েলার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে ক্ষমতায় বসেছি। আমি শপথ করছি, যারা এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিশ্বাসী তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে কাজ করবো।’
আরও পড়ুন:
শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদুরো পুত্র নিকোলাস গুয়েরা। এসময় তিনি ভেনেজুয়েলার নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন জানান। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের কথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণে নতুন নেতৃত্বকে আহ্বানও জানান তিনি।
মাদুরো পুত্র নিকোলা মাদুরো গুয়েরা বলেন, ‘নিজেদের অস্বিত্ব টিকিয়ে রাখতে, ভেনেজুয়েলার শান্তি-স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে আমাদের আওয়াজ তুলে দিতে হবে। বিশ্ববাসীর উচিত আমার বাবা-মার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। এটি নীরব থাকার সময় নয়।’
এদিকে মাদুরো আটক হওয়ায় দ্রুত দেশে ফিরতে চেয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল মাদুরো।
এছাড়া ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। চলমান পরিস্থিতিতে সবপক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে শান্তিপূর্ণ আচরণ প্রদর্শনের আহ্বান জানান।




