যুদ্ধবিরতির পরও আটকে আছে সমঝোতা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় কেন অচলাবস্থা?

ট্রাম্প
ট্রাম্প | ছবি: সংগ্রহীত
0

ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বরাবরাই আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এ আলোচনা শুধু কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ-যার কোনো অগ্রগতি নেই। বরং প্রশ্ন জাগতে পারে ঠিক কত বার ট্রাম্প বলেছেন তারা চুক্তির দ্বারপ্রান্তে? কেননা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর দুই মাসেরও বেশি সময় কেটে গেছে। আর তখন তিনি বলেছিলেন, উভয় পক্ষ একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত যাত্রায় পৌঁছানোর খবর এখনও পায়নি বিশ্ববাসী।

যুদ্ধবিরতির ১০০ দিন পার হলেও এখনও পর্যন্ত কোন সমাধানে আসতে পারে নি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। উল্টো লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের হামলায় আরও জটিল হয়ে পড়েছে শান্তি আলোচনা বিষয়টি। উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে আবারও আশার আলো দেখাচ্ছেন ট্রাম্প। তার দাবি, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া তেহরান।

এর আগে ৭ এপ্রিল ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, তারা অনেকটা এগিয়ে গেছেন কিন্তু চুক্তিটি হতে সময় লাগবে আরও দু’সপ্তাহ। সেই সঙ্গে, এ দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাটির সমাধানের কাছাকাছি আসাটা একটি সম্মানের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অবশ্য এর পরেও কোনো ধরনের সমাধানে আসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তা সত্ত্বেও ট্রাম্প পরবর্তী দুই মাস ধরে বারবার বলে গেছেন যে একটি চুক্তি প্রায় হয়েই গেছে। প্রশ্ন জাগতেই পারে, আদৌ কি এ চুক্তি হবে?

আরও পড়ুন

কেননা যুদ্ধবিরতির আগে ও পরে ট্রাম্প কমপক্ষে ৩৭ বার এমনটা বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে, জনসমক্ষে উপস্থিতিতে এবং গণমাধ্যমের সাথে ফোন আলাপে তিনি ঠিক ততবারই সরাসরি বলেছেন যে একটি চুক্তি আসন্ন অথবা দাবি করেছেন যে ইরান একটি চুক্তি করতে মরিয়া। কিন্তু তা সত্ত্বেও, আড়াই মাস ধরে ওয়াশিংটনকে প্রতিরোধ করে গেছে তেহরান।

যুদ্ধবিরতির পর থেকে ট্রাম্পরে এমন বক্তব্য সম্পষ্টতই এখন সাধারণ বুলি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার কোনো গুরুত্ব নেই। তাইতো শান্তি চুক্তির কাঠামো চূড়ান্ত করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আন্তরিক সদিচ্ছা দেখা যাচ্ছে না বলে সিএনএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছে ইরানের এক কর্মকর্তা।

জেআর