ওই নোটিশে আমির হামজাকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ঘুষ প্রস্তাবকারীদের পরিচয় প্রকাশ অথবা তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য বলা হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, আমির হামজা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন যে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখার জন্য মাত্র ৩ দিনে তাকে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছিলেন, পুরো কুষ্টিয়া লিখে দিলেও তাকে তার অবস্থান থেকে সরানো যাবে না।
তার এ বক্তব্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয়, স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশিত হয়। ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ও শরীয়াহ আইন অনুযায়ী ঘুষ দাতা ও গ্রহীতা উভয়ই সমান অপরাধী। সংসদ সদস্য আমির হামজা নিজে ভালো মানুষ সাজার জন্য ঘুষ গ্রহণ না করার কথা প্রচার করলেও, যারা এ বিশাল অঙ্কের ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছিল তাদের নাম প্রকাশ করেননি। অপরাধীদের নাম গোপন রাখা বা তাদের আইনের হাতে তুলে না দেয়া আইনের দৃষ্টিতে অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার শামিল বলেও ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আইনজীবীর দাবি, বর্তমান সরকার যখন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, তখন একজন সংসদ সদস্য হিসেবে ঘুষ প্রস্তাবকারীদের আড়াল করা কোনভাবেই কাম্য নয়। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং কুষ্টিয়াবাসীর কাছে দেয়া অঙ্গীকার রক্ষায় আগামী ৭ দিনের মধ্যে ওই ব্যক্তিদের নাম জনসম্মুখে প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।





